আস-সালামু আলাইকুম। SQSF-কাউন্সেলিং সেন্টার এন্ড স্মার্ট লাইব্রেরী (আত্নশুদ্ধির সফটওয়্যার)।
তামাক জাতীয় দ্রব্যাদি বিশেষ উপায়ে প্রক্রিয়াজাত করে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে শ্বাসের সঙ্গে তার ধোঁয়া শরীরে গ্রহণের প্রক্রিয়ার নামই হলো ধূমপান। ধূমপান হার্ট অ্যাটাক, স্ট্রোক, ক্রনিক অবস্ট্রাকটিভ পালমোনারি ডিজিজসহ বিভিন্ন ক্যানসারের ঝুঁকি বহুগুণ বাড়ায়। তামাক উচ্চ রক্তচাপ ও রক্তনালির বিভিন্ন রোগেরও একটি উল্লেখযোগ্য কারণ। তাই সময় থাকতেই এই মরণনেশা থেকে নিজেকে এবং আপনার সন্তানকে দূরে রাখতে চেষ্টা করুন।
যদি খেয়াল করেন, আপনার সন্তান এই অস্বাস্থ্যকর অভ্যাসে জড়িয়ে পড়েছে তবে প্রথমে চেষ্টা করুন সন্তানকে সময় দিতে। ধূমপান করার সঠিক কারণ খুঁজে বের করে তা সমাধানের পদক্ষেপ নিন।
সন্তান ধূমপানে আসক্ত জানতে পারলে তা নিয়ে রাগারাগি করবেন না। বরং এর ক্ষতিকর দিকগুলো তাকে বোঝাতে চেষ্টা করুন। যতটা সম্ভব খোলাখুলি কথা বলার চেষ্টা করুন। তাকে বোঝান আপনি তার ভরসার একমাত্র নিরাপদ জায়গা।
আপনি নিজে ধূমপায়ী হলে সন্তানকে কোনোভাবেই এই মরণ নেশা থেকে বের করে আনতে পারবেন না। তাই নিজে ধূমপান ছেড়ে সন্তানের কাছে দৃষ্টান্ত তৈরি করতে পারেন।
ধূমপান করা অনেকটা ব্যয়বহুল। নেশায় টাকা খরচ না করে তা স্মার্টফোন, ব্র্যান্ডেড ড্রেস বা অন্য কোনও পছন্দের জিনিস কিনে ফেলার জন্য উৎসাহ দিতে পারেন।
ধূমপান ছাড়ানোর সব চেষ্টা ব্যর্থ হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে পারেন। সন্তানকে পাঠাতে পারেন কোনো রিহ্যাবে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বর্তমান সময়ে একাকিত্ব ঘোচাতে অনেকেই এই নেশায় আসক্ত হয়ে পড়ছে। তাই পারিবারিক বন্ধন আরও অটুট করার ওপর জোর দেন তারা। সন্তানকে মাদকমুক্ত রাখতে প্রয়োজনে না বলতে শেখান তাকে। বন্ধুদের চাপে মাদক না গ্রহণে এই অভ্যাস ভীষণ কাজে দেবে। সেই সঙ্গে সন্তানকে আগে থেকেই মাদকের অপকারিতা সম্পর্কে বোঝানোর ওপর গুরুত্ব দিচ্ছেন চিকিৎসকরা।
অভিভাবক হিসেবে সন্তানের বন্ধু বান্ধব সম্পর্কে ভালো ধারণা থাকার কোনো বিকল্প নেই বাবা মার। তাই সন্তানের বন্ধু বান্ধবের সঙ্গেও আপনি বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে তুলতে পারেন। সন্তানের ও বন্ধুদের আপডেট খবর জানার জন্য ফেসবুকেও বন্ধু হতে পারেন সন্তানকে মাদকের হাত থেকে সুরক্ষিত রাখার জন্য।
সূত্র: এই সময়
Notice Board
Follow us @Facebook
Downloads
Useful Links
Visitor Info