আস-সালামু আলাইকুম। SQSF-কাউন্সেলিং সেন্টার এন্ড স্মার্ট লাইব্রেরী (আত্নশুদ্ধির সফটওয়্যার)।
SQSF বিবাহের তথ্য সেন্টার। বিবাহ দ্বীনের অর্ধেক। SQSF Marriage Information Centre. Marriage is half of religion.
*SQSF-এর উদ্যোগে “হালাল সম্পর্ক ও সুস্থ সমাজ” শীর্ষক বিশেষ কর্মশালা*
আলহামদুলিল্লাহ, দেশের ৮৭,১৯১টি গ্রামের ন্যায়ভিত্তিক সমাজ বিনির্মাণে SQSF Counselling Center & Smart Library কাজ করে যাচ্ছে নিরলসভাবে।
নৈতিকতা ও মানবিক মূল্যবোধ গঠনে এই প্রতিষ্ঠান ইতোমধ্যেই দেশের একটি শ্রদ্ধার জায়গা তৈরি করেছে।
সুস্থ সমাজ গঠনের অন্যতম শর্ত হলো *হালাল জীবনযাপন*, যার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো *বিয়ে*।
বর্তমান সমাজে বিবাহ-বহির্ভূত সম্পর্ক ও পরিবার ভাঙনের করুণ চিত্র আমাদের চিন্তিত করে তোলে।
এর প্রতিকার ও সচেতনতার লক্ষ্যে SQSF আয়োজন করেছে—
🕌 “হালাল সম্পর্ক ও পারিবারিক স্থিতি” বিষয়ক বিশেষ কর্মশালা
এই কর্মশালায় থাকছে:
- ইসলামিক ও বাস্তবভিত্তিক *পারিবারিক কাউন্সেলিং*
- পাত্র-পাত্রীর অভিভাবকদের জন্য *গাইডলাইন ও করণীয়*
- *বিশ্বস্ত তথ্যভিত্তিক পাত্র-পাত্রী সাপোর্ট*
- সমাজে হালাল সম্পর্ক প্রতিষ্ঠায় *A to Z দিকনির্দেশনা*
👤 কারা অংশ নিতে পারবেন?
- বিয়ের উপযুক্ত পাত্র ও পাত্রী
- পাত্র-পাত্রী খুঁজছেন এমন অভিভাবক
- পারিবারিক বিষয়ে দ্বিধাগ্রস্ত বা সমস্যাগ্রস্ত ব্যক্তি
*📌 সময়:* হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে শিডিউল অনুযায়ী
*💳 ফি:* ১০০০/- ফি প্রযোজ্য (নগদ, বিকাশ, রকেট সেন্ড মানি হবে নিচের নাম্বারে)।
*📞 যোগাযোগ:* 01764444731
*🌐 ওয়েবসাইট:* www.sqsf.org
SQSF বিবাহের তথ্য সেন্টার।
https://sqsf.org/SQSF_Marriage_Information_Centre_Marriage_is_half_of_religion.html
নিচে বাংলাদেশের *বিবাহযোগ্য যুবকদের সংখ্যা, বিয়ের পরিস্থিতি ও সামাজিক উদ্বেগ* সম্পর্কিত *জরিপভিত্তিক প্রতিবেদন* দেওয়া হলো — সর্বশেষ বৈধ, আন্তর্জাতিক ও স্থানীয় তথ্যের আলোকে:
🇧🇩 *বাংলাদেশে বিবাহযোগ্য যুব সমাজ: পরিস্থিতি, উদ্বেগ ও বিশ্লেষণ*
🧑🤝🧑 ১. বিবাহযোগ্য বয়স কি?
বাংলাদেশে আইনি বিবাহের বয়স:
- *মেয়েদের জন্য:* ১৮ বছর
- *ছেলেদের জন্য:* ২১ বছর
📌 (আইনি নিয়ম অনুযায়ী এগুলো ন্যূনতম বয়স হিসেবে নির্ধারিত) [1]
📊 ২. বিয়ের ধারাবাহিকতা ও জরুরি তথ্য
📈 ৩. প্রতি বছর বিবাহযোগ্য যুব গোষ্ঠী কত?
বিশেষ কোনো সরকারি “প্রতিবছর কত ছেলে-মেয়ে বিবাহযোগ্য হচ্ছে” নির্দিষ্ট পরিসংখ্যান প্রকাশিত না থাকলেও জনসংখ্যা কাঠামো ও বৈধ বয়সের তথ্য থেকে অনুমান করা যায়:
👶 জনসংখ্যা পিরামিড ও বয়সকেন্দ্রিক রেট
- বাংলাদেশে *৫০% মেয়েরা ১৮ বছরের আগেই বিবাহিত* হলেও, বাকি বিরাট অংশ (প্রায় ৪০–৫০%) ১৮+ বয়সে পৌঁছলে বিবাহযোগ্য বিবেচিত হয়। [2]
- পশ্চিম এশিয়া ও দক্ষিণ এশিয়ার তুলনায় বাল্যবিবাহ কমে আসলেও ধারাবাহিকভাবে তরুণরা বিবাহযোগ্য বয়সে রয়েছে।
👉 অর্থাৎ *প্রতিবারের যুবক ও যুবতী গোষ্ঠী ১৮–২৭ বছর বয়সের মধ্যে প্রবেশ করে*, কিন্তু
✔️ অনেকে সময় মত বিবাহ না করায় দেরি ঘটে
✔️ অর্থনৈতিক চাপ ও শিক্ষা/ক্যারিয়ার কারণে বিবাহ পিছিয়ে যায়
এটার সামাজিক প্রভাবগুলো নিচে আলোচনা করা হলো।
📌 ৪. বিয়েতে দেরির সামাজিক কারণ
📍 অল্পবয়সে বিয়ে ও তার প্রভাব
- অভাবে, শিক্ষা বাধায়, কর্মসংস্থানের অপেক্ষায় অনেক ছেলে-মেয়ে দেরিতে বিবাহ করেন।
- অনৈতিক সম্পর্ক, প্রেম-প্রবাস-ভালোবাসার চাপ বেড়ে দাম্পত্য ভুল পথে ঠেলে দেয়।
- বাল্যবিবাহ ও বৈধ বয়সের বিবাহের অন্তর্নিহিত চাপ সমাজে অস্থিরতা সৃষ্টি করে।
➡️ ফ্যাক্ট: বাংলাদেশে বাল্যবিবাহ এখনও একটি *গভীর সামাজিক সমস্যা*, এবং এর ফলে শিক্ষা ক্ষতি, স্বাস্থ্য ঝুঁকি ও পরিবারিক চাপ বাড়ে। [4]
📌 ৫. অভিভাবকদের উদ্বেগ ও করণীয়
❗ অনেক অভিভাবক উদ্বিগ্ন হন যে—
📌 “আমার ছেলে/মেয়ে বিবাহযোগ্য বয়সে এসেছে, কিন্তু বিবাহ হচ্ছে না।”
📌 “বা বাল্যবিবাহের কারণে সমাজ ঝুঁকির মধ্যে।”
এই উদ্বেগ বাস্তব ও গুরুত্বপূর্ণ। বিজ্ঞানভিত্তিক গবেষণা ও সামাজিক বিশ্লেষণ দেখায়—
✔️ শিক্ষা, ক্যারিয়ার পরিকল্পনা ও টেকসই জীবন গঠনের কারণে ছেলে-মেয়ে বিবাহ শুরু করতে দেরি করছে।
✔️ আবার প্রথাগত কারণে তরুণ মেয়েরা বহু ক্ষেত্রে ১৮র আগে বিবাহিত হচ্ছে।
👉 এই দুই পরিস্থিতিই সমাজে মানসিক চাপ ও উদ্বেগ তৈরি করছে।
📌 ৬. সমাধান: সচেতনতা ও দিকনির্দেশনা
সঠিক পরিবার পরিকল্পনা, ধর্মীয় শিক্ষা, শিক্ষা সুযোগ ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বৃদ্ধির মাধ্যমে—
✔️ তরুণেরা তাদের জীবন ও বিবাহ সিদ্ধান্ত *সমঝদারভাবে নিতে পারবে*
✔️ বাল্যবিবাহের হার কমবে
✔️ সমাজে স্থিতিশীল পরিবার গঠন সহজ হবে
এ ক্ষেত্রে *জরিপভিত্তিক তথ্য ও সচেতন কর্মশালা (যেমন SQSF Counselling Center এর আয়োজন)* অভিভাবকদের চিন্তা কাটিয়ে এগিয়ে চলতে সাহায্য করতে পারে।
*উপসংহার:*
বাংলাদেশে এখনো বিশাল সংখ্যক ছেলে-মেয়ে বিবাহযোগ্য বয়সে পৌঁছায় এবং একই সঙ্গে বাল্যবিবাহ ও দেরিতে বিবাহের ইস্যু জীবন্ত একটি সামাজিক সমস্যা। এর ফলে অভিভাবকদের উদ্বেগ স্বাভাবিক হলেও—সঠিক দিকনির্দেশনা ও কার্যকর উদ্যোগ সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে পারে।
উদ্ধৃতি:
1. Adoinfo: adoinfo.dgfp.gov.bd/uploads/knowledge_toolkit/others/1623558207_6.pdf?utm_source=chatgpt.com
2. Prothomalo: en.prothomalo.com/bangladesh/961o161pum?utm_source=chatgpt.com
3. World Bank: documents.worldbank.org/en/publication/documents-reports/documentdetail/642481468194960409/basic-profile-of-child-marriage-in-bangladesh?utm_source=chatgpt.com
4. UNFPA-Bangladesh: bangladesh.unfpa.org/en/topics/child-marriage?utm_source=chatgpt.com
নিচে *সঠিক সময়ে বিয়ে না করার কারণে সমাজে ও ব্যক্তিজীবনে যে সমস্যা সৃষ্টি হচ্ছে*, তার ওপর একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন উপস্থাপন করা হলো:
📌 প্রতিবেদন: *সঠিক সময়ে বিয়ে না করার পরিণতি — সমাজ ও ব্যক্তির জীবনে যে বিপর্যয় ডেকে আনে*
🕰️ ভূমিকা:
ইসলামে ও সামাজিক বাস্তবতায় *বিয়ে* একটি গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব ও ইবাদত। আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালা বলেন:
*“তোমাদের মধ্যে যারা অবিবাহিত, তাদের বিবাহ দাও।”*
— (সূরা নূর: ৩২)
তবে বর্তমানে নানা কারণেই অনেকে সঠিক সময়ে বিয়ে করছেন না—ফলে ব্যক্তিগত, পারিবারিক ও সামাজিক জীবনে নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে।
🔴 ১. ব্যক্তিজীবনে সমস্যা:
❌ ১.১ পাপাচারে জড়িয়ে পড়া:
সঠিক সময়ে বিবাহ না হওয়ায় বহু তরুণ-তরুণী *বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্ক*, পর্নোগ্রাফি, ও নানাবিধ হারাম কার্যকলাপে জড়িয়ে পড়ে।
➡️ এতে চারিত্রিক অবনতি ঘটে, আত্মা ও মন কলুষিত হয়।
😞 ১.২ মানসিক চাপ ও হতাশা:
- অধিক বয়সেও বিয়ে না হওয়ায় অনেকে নিজেকে সমাজে অবহেলিত মনে করে
- আত্মসম্মানবোধে আঘাত লাগে
- ডিপ্রেশন, একাকীত্ব, আত্মহত্যার চিন্তা পর্যন্ত চলে আসে
🏠 ২. পরিবারে সমস্যা:
💔 ২.১ অভিভাবকদের মানসিক কষ্ট:
- সন্তান সময়মতো বিয়ে না করলে বাবা-মা চরম উদ্বেগে ভোগেন
- সমাজের কটাক্ষ, সন্দেহ ও চাপ বাড়ে
🕳️ ২.২ পারিবারিক কাঠামোর বিলম্ব:
- বিয়ে না হওয়ায় পরিবারে নতুন প্রজন্ম বিলম্বিত হয়
- আত্মীয়তার সম্পর্ক ও সামাজিক বন্ধন দুর্বল হয়
🌍 ৩. সমাজে সমস্যা:
💣 ৩.১ অনৈতিকতার বিস্তার:
- নৈতিক অবক্ষয় ঘটে
- প্রেমের নামে ফাঁদ, প্রতারণা, ব্রেকআপ, ব্ল্যাকমেইল ইত্যাদি বাড়ে
- অবৈধ সন্তান জন্মের হার বাড়ে
🧓 ৩.২ জনসংখ্যাগত ভারসাম্যহীনতা:
- সময়মতো বিয়ে না হওয়ায় জন্মহারের ভারসাম্য নষ্ট হয়
- বহু দেশেই "aging population crisis" দেখা দিচ্ছে
⚖️ ইসলামিক দৃষ্টিভঙ্গি:
রাসুল (সা.) বলেছেন—
*“যে ব্যক্তি বিয়ের সামর্থ্য রাখে, সে যেন বিবাহ করে, কারণ এটি দৃষ্টিকে নিম্ন করে এবং লজ্জাস্থান হেফাজত করে।”*
— (বুখারী, মুসলিম)
📌 সুতরাং, সময়মতো বিয়ে না করা শুধু সামাজিক নয়, এটি একটি *আধ্যাত্মিক সংকটও*।
✅ করণীয়:
- তরুণদের সঠিক সময় ও ইসলামি দৃষ্টিভঙ্গি সম্পর্কে বোঝানো
- পাত্র-পাত্রীর জন্য সহজ ও হালাল উপায়ে বিয়ের আয়োজন করা
- SQSF-এর মত ইসলামিক Counselling Center-এর মাধ্যমে পরিবারগুলোকে সচেতন করা
- সামাজিক সংস্কার করা—যেমন অতিরিক্ত যৌতুক, চাকরি, সৌন্দর্য, উচ্চ শিক্ষা ইত্যাদি ভিত্তিতে বিয়ে বিলম্বিত না করা
📌 উপসংহার:
*সঠিক সময়ে বিয়ে না করা ব্যক্তিগত পাপ, পারিবারিক দুঃখ এবং সামাজিক বিপর্যয়ের কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে।* ইসলামি দৃষ্টিভঙ্গি ও বাস্তব জ্ঞানকে সামনে রেখে সমাজের প্রতিটি স্তরে বিবাহকে সহজ ও সময়োপযোগী করা এখন সময়ের দাবি।
প্রতি বছর শুধুমাত্র কওমী মাদরাসা থেকে প্রায় ৫০ হাজার আলেম ও আলেমা দাওরা শেষ করছে। পাশাপাশি অন্যান্য জেনারেল প্রতিষ্ঠান থেকে হাজার হাজার শিক্ষার্থী পড়াশোনা শেষ করছে। অসংখ্য মানুষ পাত্র-পাত্রী খুজে বেড়াচ্ছে, তাদের সহায়তা করাই আমাদের উদ্দেশ্য। বিবাহ দ্বীনের অর্ধেক। বিবাহ সহজ হলে সমাজে পাপাচার কমে যাবে, অন্যায় কমে যাবে, ইনশাআল্লাহ।
তাই আজই আপনি রেজিষ্ট্রেশন করে আপনার জীবন সঙ্গী খুজে নিন।
বিস্তারিত জানতে ভিজিট করুনঃ SQSF বিবাহের তথ্য সেন্টার। বিবাহ দ্বীনের অর্ধেক।
গ্রুপে যুক্ত হতে এখানে ক্লিক করুন।
ম্যাসেজ করুন #01764444731
দেশে অনেক বিধবা, ডিভোর্সী ও অসহায় বোনরা আছেন, যারা অনেক কষ্টে আছেন।
বিবাহের খুব প্রয়োজন কিন্তু হচ্ছে না, SQSF বিবাহের তথ্য সেন্টারের সফটওয়্যারে আপনার একাউন্ট খুলে আপনার বায়োডাটা জমা দিয়ে আপনার কাঙ্ক্ষিত পাত্র বা পাত্রী খুজে নিতে পারবেন, ইনশাআল্লাহ।
আমরা ৮৭১৯১টি গ্রামের পাত্র-পাত্রীদের তথ্য দিয়ে সহায়তা করতে বদ্ধপরিকর।
শর্তাবলী-নিয়মাবলী
১. প্রথমে হোয়াটসঅ্যাপের নির্ধারিত গ্রুপে জয়েন করতে হবে।
২. সকল তথ্য সঠিকভাবে দিতে হবে।
৩. ইসলামের বিধান ই চূড়ান্ত বিধান। মনে প্রাণে বিশ্বাস করতে হবে। আল্লাহর বিধান মাসনা সুলাছায় রাজি থাকতে হবে।
৪. নির্ধারিত ফরমেটে বায়োডাটা লিখে দিতে হবে।
৫. SQSF বিবাহের তথ্য সেন্টার এ আপনার রেজিষ্ট্রেশন কনফার্ম করতে হবে।
৬. পাত্র-পাত্রীদের গ্রুপ লিংক। জয়েন করতে এখানে ক্লিক করুন।
*এই সামাজিক খেদমত আঞ্জাম দিতে আমাদের ৮৭১৯১টি গ্রামে পুরুষ ও মহিলা প্রতিনিধি নিয়োগ দেওয়া হবে যারা, যারা যুক্ত হতে আগ্রহী তারা নিজ পরিচয় দিয়ে হোয়াটস্যাপে ম্যাসেজ করুন। whatsapp নাম্বার: #01764444731
বায়োডাটা লিখার ফরমেট। উক্ত ফরমেটে বায়োডাটা লিখে এই লিংকে সেন্ড করতে হবে। whatsapp নাম্বার: #01764444731
১। পাত্র/পাত্রীর নামঃ
২। বয়স (জন্ম-সাল মাস তারিখ)ঃ
৩। বর্তমান ঠিকানাঃ
৪। দেশের বাড়ি ও স্থায়ী -পূর্ণ ঠিকানাঃ
৫। ওজনঃ
৬। গায়ের রঙঃ
৭। পড়াশোনাঃ
৮। উচ্চতা কতঃ
৯। বাবা কি করেনঃ
১০। উচ্চ-মধ্য-নিম্ন বিত্তঃ
১১। ভাই বোন কয়জন ও পাত্র কয় নাম্বারঃ
১৩। পাত্রপক্ষের whatsapp নাম্বারঃ
১৪। পারিবারিক তাবলীগ ও ধর্ম পালনের বিস্তারিতঃ
১৫। বিবাহিত (সন্তান থাকলে বিস্তারিত) না-অবিবাহিতঃ
১৬। ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা কি / কেমন পাত্রী/পাত্রী চানঃ
১৭। পাত্রী/পাত্রী সম্পর্কে বিশেষ মন্তব্যঃ
রেজিষ্ট্রেশন করতে এখানে ক্লিক করুন
ইসলামের দৃষ্টিতে বিবাহের উত্তম বয়স একটি ভারসাম্যপূর্ণ, গুরুত্বপূর্ণ ও সময়োপযোগী বিষয়।
ইসলাম বিবাহকে শুধু একটি সামাজিক চুক্তি নয়, বরং একটি ইবাদত, আত্মিক প্রশান্তির ও সামাজিক নিরাপত্তার মাধ্যম হিসেবে দেখেছে।
ইসলামের নির্দেশনা ও দৃষ্টিভঙ্গি:
1. বালেগ হওয়া শর্ত:
ইসলামে বিবাহের ন্যূনতম শর্ত হলো—বালেগ হওয়া (যৌবনে পদার্পণ করা)। তবে শরীয়ত বয়স নির্ধারণ করেনি, কারণ এটি সমাজ ও অঞ্চলের ভিন্নতায় পরিবর্তিত হতে পারে।
2. মানসিক ও শারীরিক প্রস্তুতি:
হাদীসে এসেছে:
"হে যুব সমাজ! তোমাদের মধ্যে যারা বিয়ের সামর্থ্য রাখে, তারা যেন বিবাহ করে..."
— (বুখারি ও মুসলিম)
এর মানে, শুধু বয়স নয়, শারীরিক, মানসিক ও আর্থিক প্রস্তুতিও বিবাহের জন্য বিবেচ্য।
3. ফিতনা থেকে বাঁচা:
নবী (সা.) বলেন—যুবক-যুবতীরা যেন দেরি না করে, যাতে তারা অনৈতিক সম্পর্ক, পাপ, কিংবা হারাম চাহিদা থেকে নিজেদের বাঁচাতে পারে।
বিবাহে বিলম্বের ক্ষতি:
- চরিত্র নষ্টের সম্ভাবনা বেড়ে যায়
- মানসিক চাপ, অবসাদ, ও সমাজ থেকে বিচ্ছিন্নতা
- হারাম সম্পর্ক ও ফিতনার আশঙ্কা
- পরিবার গঠন ও সন্তান পালনে দেরি
উপসংহার:
ইসলাম চায় না কেউ দেরি করুক, আবার অপ্রস্তুত অবস্থায় তাড়াও করুক। উত্তম বয়স সেই সময়, যখন একজন ব্যক্তি আত্মিক, শারীরিক, সামাজিক ও আর্থিকভাবে প্রস্তুত। তাড়াহুড়ো নয়, দেরিও নয়—পরিপক্বতার সাথে সময়মতো বিয়ে করাই ইসলামের পরামর্শ।
প্রয়োজনে SQSF-এর পক্ষ থেকে বিয়েপূর্ব কাউন্সেলিং এর উদ্যোগ নেওয়া যেতে পারে।
বাংলাদেশে অনেক আলেমা, হাফেজা বোন আছেন, যারা বিধবা অথবা ডিভোর্স প্রাপ্ত হয়েছেন, এখন মাদরাসায় চাকরি করে নিজের খরচ চালাচ্ছেন।
আবার অনেক আলেমা বোনের পিতার গরীবতার কারণে বিবাহ হচ্ছে না, বা একটু কালো বা শর্ট হওয়ার কারণে বিবাহ হচ্ছে না। আপাতত বাসায় আছেন বা কোনো মাদরাসায় খেদমত করছেন। আপনার কষ্টটা কেবল আপনি একাই বুঝেন। স্বামীহিন কষ্টটা কত নিষ্ঠুর হয় তা আপনি ছাড়া কেউ বুঝবে না।
মুহতারামা!
আপনি যেহেতু আলেমা, হাফেজা। আল্লাহর বিধানের একাধিক বিবাহের ব্যাপারে নাস্তিক, সেকুলার মেয়েদের আপত্তি থাকলেও আপনার তো আপত্তি থাকার কথা না।
মুহতারামা! আপনি যদি শুধু এই বিধানটি মন থেকে মেনে নেন এবং কারো মাসনা, সুলাছা বা রুবাআ হতে তৈরি থাকেন, এতে সম্মানবোধ ফিল করেন, তাহলে অনেক যোগ্য যোগ্য আলেম, লেখক, গবেষক, ব্যবসায়ী ও প্রতিষ্ঠিত দীনদার আদেল ভাইয়ের স্ত্রী হয়ে সম্মান ও সচ্ছলতার সাথে জীবন যাপন করতে পারবেন। স্বামীহারা, ছায়াহীন বিষাক্ত জীবন থেকে মুক্তি পাবেন।
আম্মা জান আয়েশা রাজি. ২য় স্ত্রী মাসনা ছিলেন।
বিবি হাজেরা আলা: ২য় স্ত্রী মাসনা ছিলেন।
ইউসুফ আ: এর আম্মা ৩য় স্ত্রী সুলাছা ছিলেন।
আমাদের দেশের বড় বড় ব্যক্তির আম্মাজানরাও মাসনা, সুলাছা ছিলেন। যেমন:
চরমোনাই পীর সাহেব হাফি: এর আম্মা ২য় স্ত্রী ছিলেন
আল্লামা মামুনুল হক হাফি: আম্মাজান ২য় স্ত্রী ছিলেন।
তাহলে বোন! আপনার মাসনা, সুলাছা হতে সমস্যা কোথায়? হতে পারে কোনো দীনদার ভাইয়ের মাসনা হলে আপনার গর্ভেও এমন মহামানুষের জন্ম হবে, ইনশাআল্লাহ। কারণ দীনের জন্য নফসকে কুরবান দেওয়া নারীর গর্ভেই যুগের আবু উবায়দা আর সিদ্দিকাদের জন্ম হয়।
SQSF MIC- তে প্রায় প্রতিদিন যোগ্য যোগ্য দীনদার ও আলেম ভাইয়েরা আবেদন করেন যে, হযরত আমার প্রথম স্ত্রী জেনারেল শিক্ষিত। আমার ইচ্ছা একজন আলেমাকেও জীবন চলার সাথী বানাবো। অনেকের ইচ্ছা, কোনো আলেমাকে পেলে তার দ্বারা এলাকায় দীনের ফেজা চালু করবে। কিন্তু এটা তো মাসনা ছাড়া সম্ভব না। তারা এমন অসহায় আলেমাদেরকে জীবনসঙ্গী হিসেবে পেলে পূর্ণ মুহাব্বত ও সম্মানের সাথে রাখবে। তাদের চোখে আমি আলেমা, হাফেজাদের জন্য অনেক শ্রদ্ধাবোধ দেখতে পাই। আমাদের SQSF MIC এর
মেহনত করার জন্যেও কিছু দীনদার যোগ্য আলেমা তৈরি হওয়া দরকার, যার দীনের জন্য নফসকে কুরবান করে আল্লাহর এই বিধানকে জিন্দা করার জন্য নারীদের মাঝেও মেহনত করতে পারবেন।
তাই বোন আমি বলবো: আপনারা নষ্ট সমাজের রোষানলে পড়ে পিষ্ঠ হচ্ছেন, আর এদিকে আপনার জন্য সম্মানের সাথে পূর্ণ শ্রদ্ধা রেখে অপেক্ষা করছে হাজারো যোগ্য পাত্র।
বোন, আমি একজন আলেম ভাই হিসেবে পূর্ণ দায়িত্বের জায়গা থেকে অনুরোধ করে বলছি: আল্লাহর বিধানকে মেনে নিজেই সিদ্ধান্ত নিন, পরিবারকে বুঝান।
এখন আপনি সমাজের বেড়াজাল থেকে বের হয়ে, আল্লাহর বিধানকে মুহাব্বত করে সুন্দর জীবন যাপন করবেন না এমনি কষ্টের জীবন কাটাবেন? সিদ্ধান্ত আপনার....
লেখক-.....IBM সেন্টার।
SQSF বিবাহের তথ্য সেন্টার।
যোগাযোগ করতে নক দিন:
হোয়াটস অ্যাপ:
wa.me/+8801764444731
SQSF— পরিবার বদলে দেয়, সমাজ গড়তে সাহায্য করে।
.jpg)
মাশাআল্লাহ, এটি অত্যন্ত সুন্দর ও সওয়াবের কাজ। প্রতিদিন কমপক্ষে ২৫ জনকে দাওয়াত দেওয়ার মাধ্যমে আপনি—
যা করতে পারেন:
1. কুরআন ও হাদীস থেকে সংক্ষিপ্ত গুরুত্বপূর্ণ বার্তা পাঠান
2. নৈতিকতা ও পারিবারিক বন্ধনের কথা বলুন
3. কাউন্সেলিং, আত্মউন্নয়ন, শিক্ষার গুরুত্ব তুলে ধরুন
4. SQSF-এর সেবার বিষয়ে জানান
5. নম্রতা ও আন্তরিকতা বজায় রাখুন
লক্ষ্য: মানুষকে আল্লাহর দিকে, সুপথে, জ্ঞান ও বিবেকের পথে আহ্বান করা।
ইসলামের দৃষ্টিতে:
রাসুল (সা.) বলেন, “তোমরা যদি একজন মানুষকেও সঠিক পথে আনতে পারো, তবে তা তোমার জন্য দুনিয়ার সবকিছুর চেয়ে উত্তম।” (সহীহ বুখারী)
চলুন, এই দাওয়াতি কাজের ধারাবাহিকতা বজায় রাখি — ইনশাআল্লাহ। Sqsf.org
অন্যান্য দাওয়াতনামা...
SQSF এর পক্ষ থেকে প্রিয় অভিভাবকদের প্রতি হৃদয়ছোঁয়া আবেদন
SQSF-এর পক্ষ থেকে শিক্ষক-শিক্ষিকাদের প্রতি বিনীত আবেদন
সম্মানিত ইমাম ও খতিব সাহেবানদের নিকট আবেদন
প্রশাসনের বন্ধুদের প্রতি SQSF-এর পক্ষ থেকে একটি বিনীত আবেদন
সাংবাদিক বন্ধুদের প্রতি একটি আন্তরিক আবেদন
টিভি চ্যানেলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক/সম্পাদক বরাবর একটি চমৎকার বিনীত আবেদন
SQSF এর পক্ষ থেকে রাজনৈতিক দলের দায়িত্বশীলদের প্রতি একটি আবেদন
SQSF-এর পক্ষ থেকে হৃদয়বান দানশীলদের প্রতি আবেদন
SQSF সৌজন্যে একটি বিশেষ দাওয়াতনামা
খোলা চিঠি-মাননীয় ড. মুহাম্মাদ ইউনূস সমীপে
খোলা চিঠি-মাননীয় আ ফ ম খালিদ হোসেন সমীপে
.jpg)
মুফতি মোঃ আরিফুল ইসলাম,
★সিনিয়র ধর্মীয় শিক্ষক,
মনিপুর উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ। মিরপুর, ঢাকা।
★প্রধান এডমিন ও কাউন্সিলর, SQSF কাউন্সেলিং সেন্টার এন্ড স্মার্ট লাইব্রেরী
★প্রধান প্রশিক্ষক,
SQSF স্মার্ট শিক্ষক প্রশিক্ষণ কেন্দ্র। www.sqsf.org
SQSF স্মার্ট প্যারেন্টিং কোর্স একাডেমী।
★প্রধান এডমিন ও উদ্দ্যোক্তা
ফ্যামিলি শপ লিমিটেড.কম Familyshopltd.com
★অতিথি প্রশিক্ষক, দ্বীনিয়াত বাংলাদেশ।
★অতিথি প্রশিক্ষক, ইমাম প্রশিক্ষণ একাডেমি। ইসলামীক ফাউন্ডেশন।
SQSF সূত্রঃ শিক্ষা>কাউন্সেলিং/প্যারেন্টিং/স্মার্ট প্রশিক্ষণ>ধর্ম>কর্ম= সফলতা


SQSF এর চার্জ, ফি বা অনুদান প্রদানের তথ্য_Information on SQSF charges, fees or grants
সুস্থ সমাজ গঠনে আপনার ছোট এক কদম, হতে পারে বড় এক বিপ্লবের সূচনা!
প্রতিদিন মাত্র দুই কাপ চায়ের সমমূল্য – মাত্র ২০ টাকা!
এই সামান্য অবদানেই আপনি অংশ নিতে পারেন SQSF-এর জীবনঘনিষ্ঠ ৪টি স্মার্ট প্রোগ্রামের যেকোনো একটিতে:
✅ কাউন্সেলিং
✅ স্মার্ট প্যারেন্টিং
✅ স্মার্ট শিক্ষক প্রশিক্ষণ
✅ কর্মসংস্থানমুখী প্রশিক্ষণ
কেন যুক্ত হবেন?
কারণ, আমাদের সমাজ আজ বিভিন্ন সংকটে জর্জরিত—
অবাধ্য সন্তান, মূল্যবোধহীন শিক্ষার্থী, দায়িত্বহীন অভিভাবক, পথভ্রষ্ট যুব সমাজ...
এগুলোর সমাধান আমরা হাতেকলমে খুঁজছি, ব্যবস্থাপনা, প্রশিক্ষণ ও সহযোগিতার মাধ্যমে।
আপনি শুধু অর্থ দিয়েই নয়, সময় ও শ্রম দিয়েও সেচ্ছাসেবক হিসেবে যুক্ত হয়ে
এই আলোর যাত্রায় অবদান রাখতে পারেন।
📢 আসুন, আজই ২০ টাকা মূল্যের সেই চায়ের কাপটি সমাজের কল্যাণে উৎসর্গ করি—
একটি পরিবার, একটি শিশু, একটি শিক্ষক কিংবা একজন তরুণের ভবিষ্যত গড়ে তুলতে!
SQSF—শুধু একটি প্ল্যাটফর্ম নয়, এটি একটি দাওয়াহভিত্তিক সচেতনতা আন্দোলন।
যোগ দিন। এগিয়ে যান। আলোকিত সমাজ গড়ুন।
আলহামদুলিল্লাহ! আপনি SQSF-এ দান করতে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন—এটি একটি অত্যন্ত প্রশংসনীয় উদ্যোগ। এটি সমাজ সংস্কার, কিশোরগ্যাং, মাদকমুক্তি, কাউন্সেলিং ও কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে একটি সক্রিয় সামাজিক প্রজেক্ট।
দান করতে হলে নিচের যেকোনো উপায় অবলম্বন করতে পারেন:
১. নগদ/রকেট/বিকাশ নম্বর: 01764 444 731 (Send Money)
২. ব্যাংক একাউন্টঃ
Ac Name: Md.Ariful Islam,
Ac No: 20501310209655504
Islami Bank Ltd, Mirpur-10,
৩. যোগাযোগ: 01764 444 731
৪. অফিস ঠিকানাঃ ২৬, পূর্ব শেওড়াপাড়া, কাফরুল, ঢাকা-১২১৬। মনিপুর উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ এর ব্রাঞ্চ-৩ সংলগ্ন। হাতিল ফার্নিচারের গলি। মেট্রোরেল এর ২৯৫ নং পিলারের পূর্ব পাশ।
SQSF-কাউন্সেলিং সেন্টার এন্ড স্মার্ট লাইব্রেরী (আত্নশুদ্ধির সফটওয়্যার)।
Tashihul Quran (Sahih Quran) Shikkha Foundation, Reg:S-13909/2022.
.jpg)
Notice Board
Follow us @Facebook
Downloads
Useful Links
Visitor Info